শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : | ০৭:২৮ পিএম, ২০২১-০৪-১৭
ভারতে গত চারদিন ধরে লাগাতার দৈনিক সংক্রমণ দু’লক্ষেরও অধিক। ঘাটতি ভ্যাকসিনের। আকাল লেগেছে অক্সিজেনেরও। হাসপাতালে অভাব শয্যার। সব মিলিয়ে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে মোদি সরকার দিশাহারা। কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব সংক্রমণ? কোন পন্থায় রোখা যাবে মৃত্যু। নেই কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ। হাতে কেবল ভ্যাকসিন। তাও উপযুক্ত পরিকল্পনার অভাবে রাজ্যে রাজ্যে নষ্ট হচ্ছে ডোজ।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ভ্যাকসিনের অভাব নিয়ে সরব হওয়ায় কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের শাসনে চলা রাজ্যগুলির সমালোচনা করেছিলেন। অথচ বাস্তবে বিজেপি শাসিত অধিকাংশ রাজ্যেই ভ্যাকসিন নষ্ট হচ্ছে সবেচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য মোতাবেক, এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে যত লোককে টিকা দেওয়া হয়েছে, গড়ে তার ৪ শতাংশ ডোজ নষ্ট হয়েছে। আর্থিক মূল্যে যা ৮৪ কোটি টাকা।
ভ্যাকসিন নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে তামিলনাড়ু। এখানে ১১.০৩ শতাংশ ডোজ নষ্ট হয়েছে। এরপরেই বিজেপি শাসিত হরিয়ানা। নষ্ট হয়েছে ১০.৫ শতাংশ ভ্যাকসিনের ডোজ। নরেন্দ্র মোদির ‘ডবল ইঞ্জিনে’র শাসনে চলা অসম, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড তো বটেই, খোদ গুজরাতেও রোজ নষ্ট হচ্ছে ভ্যাকসিন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রশাসিত জম্মু-কাশ্মীরেও প্রতিদিন ডোজ নষ্ট হচ্ছে। ভ্যাকসিন নষ্ট হওয়া রুখতে রাজ্যগুলিকে উপযুক্ত পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র।
একইসঙ্গে ঘাটতি মেটাতে সম্পূর্ণ দেশীয় ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাকসিনে’র উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রস্তুতকারক সংস্থা হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেক লিমিটেডকে মোদি সরকার ৬৫ কোটি টাকা অনুদান দেবে বলে শুক্রবারই ঠিক হয়েছে। এই টাকায় ভারত বায়োটেক তার বেঙ্গালুরুর কেন্দ্রে ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়াবে। সরকারে আর্থিক সহায়তায় সেপ্টেম্বরে প্রতি মাসে গড়ে ১০ কোটি কোভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করা হবে বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
অন্যদিকে, রেমডেসিভিরের উৎপাদন বাড়ানো এবং ব্যবহারে কড়াকড়ি করছে কেন্দ্র। রেমডেসিভিরেই করোনা সারে, এমন প্রমাণ মেলেনি বলেই জানিয়ে দিয়েছেন গবেষকরা। এটি পরীক্ষামূলকভাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন করোনা সংক্রান্ত কেন্দ্রের উচ্চ পর্যায়ের কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ বিনোদকুমার পল। তবুও করোনার আচমকা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রেমডিসিভিরের উপরই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষ বর্ধন এদিন বলেছেন, মাঝে আমরা এই অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ তৈরি কমিয়ে দিয়েছিলাম। করোনার নির্দিষ্ট কোনও দাওয়াই নেই। তবুও রেমডেসিভিরেই আবার ভরসা রাখা হচ্ছে। তাই একদিকে এর উৎপাদন বাড়াতে জোর দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে কালোবাজারি আটকাতে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের শয্যার অভাব মেটাতে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার অধীন যেসব হাসপাতাল রয়েছে, সেগুলিকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা, শিরোমণি অকালি দলের এমপি হরসিমরত কউর বাদল, কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়াল কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : ইসরাইল ও হিজবুল্লাহ শুক্রবার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। লেবাননে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলু...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নতুন করে তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ২ শতাংশের ব...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited